প্রফেসর ড. এম এ রহিম ও শামছুল আলম মিঠু
বাংলাদেশের মোট আয়তন ১,৪৭,৫৭০ বর্গ কি.মি.। চাষযোগ্য আবাদি জমির পরিমাণ ৮২ লাখ ৯০ হাজার হেক্টর। চাষযোগ্য পতিত জমির পরিমাণ ৩.২৩ লাখ হেক্টর। নিট ফসলি জমির পরিমাণ ৮০.২৪ লাখ হেক্টর এবং মোট ফসলি জমি ১৪২.২২ লাখ হেক্টর এবং বনাঞ্চলের আয়তন ১৯,৭১০ বর্গ কি.মি.। এই ৮২.৯০ লাখ হেক্টর জমি থেকে খাবার আসছে প্রায় ১৪.৫৯ কোটি জনগোষ্ঠীর। গত ত্রিশ বছরে জনসংখ্যা বেড়ে দ্বিগুণ হয়েছে। বর্তমানে প্রতি বর্গ কিলোমিটারে বাস করছে গড়ে ৯১৩ জন মানুষ, ফলে মাথাপিছু জমির পরিমাণ একদিকে যেমন কমে যাচ্ছে সেই সাথে কমছে চাষযোগ্য জমির পরিমাণও। অন্যদিকে মোট খাদ্য শস্যের চাহিদা ২৩৮.৫৪ লাখ মেট্রিকটন কিন্তু উৎপাদন প্রয়োজনের তুলনায় অনেক কম। তাই অতিরিক্ত খাদ্য ঘাটতি মেটাতে নির্ভর করতে হচ্ছে বিদেশী খাদ্য আমদানির ওপর এবং দাতা গোষ্ঠীর সাহায্যের ওপর। আবার একজন মানুষের শারীরতাত্ত্বিকভাবে ও মানসিকভাবে সুস্থতার জন্য ৮৫ গ্রাম করে ফল খাওয়ার প্রয়োজন। কিন্তু আমরা পাই মাত্র ৩৮ গ্রাম যা প্রয়োজনের তুলনায় অনেক কম। তাই জাতীয় চাহিদার সাথে তাল মিলিয়ে আমাদের বনভূমি বা কৃষি জমি বাড়ার যেখানে কোন সম্ভাবনা নেই, সেখানে ফল ও বনজ গাছের সাথে কৃষি/উদ্যানতাত্ত্বিক ফসলের মিশ্র চাষের সমান্তরাল চাষ বিন্যাসকে কয়েকটি স্তর বিশিষ্ট উল্লম্ব চাষ বিন্যাসে রূপান্তরের মাধ্যমে বহুস্তর বিশিষ্ট ফসল বাগান করে একক জমিতে ফলন বাড়ানোর বিকল্প নেই। এ পদ্ধতিতে ব্যবহৃত বৃক্ষরাজি বিভিন্ন স্তর থেকে সূর্যালোক গ্রহণ করে এবং এদের মূলতন্ত্র বিভিন্ন গভীরতা থেকে মৃত্তিকা পুষ্টি উপাদান নিয়ে থাকে। ফলে প্রাকৃতিক সম্পদের (আলো, মৃত্তিকা পুষ্টি উপাদান, পানি ইত্যাদি) সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত হওয়ার পাশাপাশি প্রাকৃতিক ভারসাম্যও রক্ষিত হয়। এ ছাড়াও এ পদ্ধতিতে একই জায়গায় প্রচুর পরিমাণ বিভিন্ন বৃক্ষরাজির সমাবেশ ঘটে ফলে উদ্ভিদ বৈচিত্র্য রক্ষা করা সম্ভব হয়। এ পদ্ধতি অর্থনৈতিকভাবেও লাভজনক। কৃষি ফসল উৎপাদনও ঝুঁকি মুক্ত। কেননা যে কোন একটি উল্লম্ব স্তরের ফসলের ফলন খারাপ হলেও অন্যান্য স্তরের ফলন পাওয়া যায়। বহুস্তর বিশিষ্ট বাগানের কাঠামো
মূলত বহুস্তর বিশিষ্ট বাগান হচ্ছে বিভিন্ন চাষযোগ্য বৃক্ষ, বিরুৎ ও গুল্ম জাতীয় উদ্ভিদ প্রজাতির বৈচিত্র্য সমৃদ্ধ ৩-৪ স্তর বিশিষ্ট উল্লম্ব ক্যানোপি সহযোগে গঠিত উদ্ভিদ সমূহের একটি নিবিড় সহাবস্থান। নিম্নের চিত্রে একটি পরিকল্পিত বহুস্তর বিশিষ্ট বাগানের মডেল উপস্থাপন করা হলো।
বাংলাদেশের প্রায় প্রতিটি বসতবাড়িই এক একটি অপরিকল্পিত বহুস্তর বিশিষ্ট বাগান বা বহুস্তর বিশিষ্ট ফসল চাষ ক্ষেত্র। কারণ দেশজ সব ধরনের ফল, শাকসবজি, জ্বালানি এবং আসবাব তৈরির কাঠ আসে বসতবাড়ি, বসতবাড়ি সংলগ্ন আঙিনা অথবা বসতবাড়ির সাথে সংযুক্ত ক্ষুদ্র ভূমিখণ্ড থেকে। কিন্তু বাংলাদেশে প্রায় ২২ লাখ বসতবাড়িতে আপাতঃদৃষ্টিতে যে বহুস্তর ফসল বাগানের কাঠামো বর্তমান আছে তা অপরিকল্পিত হওয়ায় সে সব বহুস্তর বিশিষ্ট ফসল উৎপাদন কাঠামো হতে সর্বাধিক ফসল আসছে না। পরিকল্পিতভাবে এসব স্থানে যদি বহুস্তর বিশিষ্ট ফসল উৎপাদন করা যায় তবে এসব বাগানের উৎপাদন ক্ষমতা প্রায় দ্বিগুণ বেড়ে যাবে। বিষয়টির ওপর গবেষণা করার জন্য বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্যানতত্ত্ব খামারে ১৯৯১ সাল থেকে পরিকল্পিতভাবে বহুস্তর বিশিষ্ট ফসল চাষের প্রচেষ্টা চালানো হচ্ছে। আম, নারিকেল, নিম ও শিশু বাগানের নিচে মধ্য স্তরে সফলভাবে কলা, লেবু, পেয়ারা, পেঁপে এবং সর্বনিম্ন স্তরে আনারস, আদা, হলুদ, কচু, রসুন এবং ওষুধি উদ্ভিদ অ্যালোভেরা, অ্যাসপ্যারাগাস, মিসরিদানা প্রভৃতি ফলানো সম্ভব হয়েছে। এ পদ্ধতিতে বৃক্ষরাজি বিভিন্ন স্তর থেকে সূর্যালোক গ্রহণ করে। আমাদের মোট যে সূর্যের আলো পৃথিবীতে আসে তার ২০-৩০ ভাগ ব্যবহার করে উপরের স্তর অর্থাৎ বৃক্ষ, ২০-৪০ ভাগ ব্যবহার করে মধ্য স্তর অর্থাৎ গুল্ম এবং ২০-৩০ ভাগ সূর্যের আলো গ্রহণ করে যা সর্বনিম্ন স্তরে থাকে যা ছায়া পছন্দকারী/ছায়া সহ্যকারী উদ্ভিদ। এছাড়া এদের মূলতন্ত্র মাটির বিভিন্ন গভীরতা থেকে পুষ্টি উপাদান গ্রহণ করে যেমন ছায়া পছন্দকারী/সহ্যকারী উদ্ভিদ যা মাটির উপরের স্তর থেকে পুষ্টি নেয়, মধ্যম স্তরের উদ্ভিদ যা মাটির আরো নিচে এবং উপরের স্তরের উদ্ভিদ মাটির আরো গভীর থেকে পুষ্টি উপাদান সংগ্রহ করে। এতে করে প্রাকৃতিক সম্পদের সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত হওয়ার পাশাপাশি প্রাকৃতিক ভারসাম্যও রক্ষা হয়।
নারিকেল বাগানে তিন স্তর বিশিষ্ট ফসল চাষ
গ্রাম ও খামার বনায়ন প্রকল্পের অধীনে উদ্যানতত্ত্ব বিভাগ বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩ স্তর বিশিষ্ট (চিত্র -২) যে ফসল চাষ করে তার ১ম স্তর কচু, আদা, হলুদ, আনারস, অ্যালোভেরা, এ্যাসপ্যারাগাস, মিসরিদানা, ২য় স্তর কলা, লেবু, পেঁপে ও পেয়ারা এবং ৩য় স্তর নারিকেল গাছের সমন্বয়ে গঠিত, যা বহুস্তর বিশিষ্ট ফসল চাষের ইতিবাচক দিক নির্দেশক এবং অর্থনৈতিকভাবেও গ্রহণযোগ্য। চার বছর গবেষণার পর দেখা গেছে যে, শুধু নারিকেল থেকে প্রতি বছর হেক্টরপ্রতি ৪৮,০০০ টাকার মতো আয় হয় কিন্তু বহুস্তর বিশিষ্ট ফসল বিন্যাস (নারিকেল + কলা + আনারস + আদা/কচু) থেকে ৩-৪ গুণ বেশি আয় করা যায়। এখানে উল্লেখ্য যে, নারিকেল গাছ তার নিম্নস্তরে চাষকৃত ফসলের পরিচর্যা থেকে পরোক্ষভাবে উপকার পেয়ে থাকে।
আম বাগানে তিন স্তর বিশিষ্ট ফসল চাষ
আম আগানে পেঁপে এবং আনারস ভালো জন্মে। ফল গাছ উন্নয়ন প্রকল্পের আম বাগানে পেঁপে/ পেয়ারা/লেবু গাছের নিচে আনারস সফলভাবে ফলানো সম্ভব হয়েছে। এ ধরনের ৩ স্তর বিশিষ্ট ফসল চাষে আর্থিক লাভও কম নয়। চার বছর গবেষণার পর দেখা গেছে যে, প্রতি বছর হেক্টরপ্রতি শুধু আম থেকে ১,২০,০০০/- টাকার মতো আয় হয় কিন্তু বহুস্তর বিশিষ্ট ফসল বিন্যাস (আম, আনারস ও পেঁপে) থেকে আমের অনুৎপাদন মৌসুমে ১,৬০,০০০/- এবং উৎপাদন মৌসুমে ২,২০,০০০/- টাকার মতো লাভ পাওয়া যায়। পিএইচ.ডি গবেষক জনাব সফিকুল বারী তাঁর তিন বছরের গবেষণা কার্যক্রম থেকে দেখেছেন যে, আম বাগানের নিচে ২য় স্তরে পেয়ারা এবং নিম্ন স্তরে ওষুধি গুল্ম অ্যালোভেরা, অ্যাসপ্যারাগাস ও মিসরিদানা সফলভাবে উৎপাদন করা যায়। উল্লেখ্য, এই ওষুধি গুল্মগুলো বর্তমানে বাংলাদেশে বাণিজ্যিকভাবে ফসলের জমিতে এককভাবে চাষ করা হচ্ছে, যা আমাদের খাদ্য শস্য উৎপাদনের জন্য মূল্যবান জমিকে আরো কমিয়ে দিচ্ছে। সুতরাং ওষুধি উদ্ভিদকে অবশ্যই বহুস্তর বিশিষ্ট বাগানের আওতায় চাষ করা একান্ত প্রয়োজন।
বাংলাদেশের জন্য ধারণকৃত বহুস্তর বিশিষ্ট বাগানের কাঠামো
ভূমি সংলগ্ন লতাপাতা সমৃদ্ধ নিম্নস্তর, বৃক্ষ সমৃদ্ধ উচ্চ স্তর এবং এ দু’য়ের মধ্যবর্তী স্তর নিয়েই বসতবাড়ি বহুস্তর বাগান। নিম্নস্তরটিকে দু’টি ভাগে ভাগ করে ১ মি. এর কম উচ্চতা বিশিষ্ট সর্ব নিম্নস্তরে শাকসবজি ও ওষুধি গাছ এবং ১-৩ মি. উচ্চতায় কলা, পেঁপে, পেয়ারা, লেবু, শিমুল আলু, রাঙ্গা আলু ইত্যাদি চাষ করা যেতে পারে। উপরের স্তরটিও দু’টি ভাগে ভাগ করে ২৫ মি. বেশি উচ্চতায় সু-উচ্চ কাষ্ঠল ও ফলদ বৃক্ষ এবং ১০-১২মি. উচ্চতায় মাঝারি উচ্চতার ফলদ এবং কাষ্ঠল উদ্ভিদ লাগানো যেতে পারে।
বহুস্তর বিশিষ্ট বাগানের জন্য উদ্ভিদ/ফসল নির্বাচন
বহুস্তর বিশিষ্ট বাগানের উদ্ভিদ নির্বাচন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। এ বিষয়ে নিম্নোক্ত বিষয়গুলোর প্রতিলক্ষ্য রাখতে হবে।
ক. বাগানে গাছ লাগানোর জন্য ছায়া পছন্দকারী বা ছায়াসহ্যকারী উদ্ভিদ/ফসল চিহ্নিত করতে হবে।
নির্বাচিত বিভিন্ন ফসল/উদ্ভিদের সমন্বয় এমন হতে হবে যেন ফসল উৎপাদন চক্র এবং মাত্রা সারা বছর নিয়মিত উৎপাদন বজায় রাখতে পারে।
খ. আবহাওয়া ও জলবায়ুগত কারণে বছরের কিছু সময় ফসল সংগ্রহের পরিমাণ কম বা বেশি হতে পারে কিন্তু প্রাত্যহিক কিছু না কিছু উৎপাদন যেন থাকে। অর্থাৎ বছরের প্রায় সবসময়ই যেন ফলন এবং উপজাত হিসেবে জ্বালানি ও অন্যান্য উপকরণ পাওয়া যায়।
গ. বাগানে উৎপাদিত সামগ্রী কৃষকের দৈনন্দিন চাহিদা মেটাতে সক্ষম হবে এবং অতিরিক্ত আয়, অন্যান্য কৃষি ফসলহানিতে ও দু’ফসলের মধ্যবর্তী সময়ে কৃষককে নিরাপত্তা দিতে সক্ষম হবে।
ঘ. পারিবারিক সদস্যদের ন্যূনতম শ্রমের মাধ্যমেই বাগানে ফসল পরিচর্যা ও ফসল সংগ্রহ সম্পন্ন হয় এমন হতে হবে।
বহুস্তর বিশিষ্ট বাগানের পরিচর্যা ও ব্যবস্থাপনা
সর্বাধিক ফল ও বায়োমাস পেতে বহুস্তর বিশিষ্ট বাগানের ফসল ব্যবস্থাপনা বিশেষ করে গাছ ব্যবস্থাপনা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। গাছ/ফসল লাগানো থেকে সর্বশেষ ফসল সংগ্রহ পর্যন্ত সঠিক উদ্যানতাত্ত্বিক ব্যবস্থাপনা ও পরিচর্যা পদ্ধতি অবলম্বন করলে ভূমির সর্বোচ্চ ব্যবহার এবং উদ্ভিদ ও এর সহযোগিদের কাছ থেকে সর্বোচ্চ ফলন নিশ্চিত হয়। পর্যাপ্ত এবং উপযুক্ত প্রুনিং ও ট্রেনিং এর মাধ্যমে একক জমিতে সর্বোচ্চ সংখ্যক গাছ সফলভাবে জন্মানো সম্ভব। গাছের সঠিক ব্যবস্থাপনার সাথে সাথে প্রুনিং করলে প্রতিটি গাছ থেকে এর বিভিন্ন উপজাত সহ সর্বোচ্চ ফলন আশা করা যায়। ফলদ, বনজ ও কৃষি ফসল মধ্যকার সু-সংঘবদ্ধতার ওপরই গাছের নিচে বা পার্শ্বে জন্মানো ফসলের সর্বাধিক ফলন নির্ভর করে। নিম্নস্তরের কৃষি ফসলের সঠিক পরিচর্যা করলে তা দ্বারা মধ্যম ও উপরের স্তরের বৃক্ষ উপকার পাবে। তাই বহুস্তর বাগানে ফসলের আন্তঃপরিচর্যা অত্যন্ত যত্নের সাথে করতে হবে। বাগানকে কখনই অপরিষ্কার-জলাবদ্ধ রাখা যাবে না। বর্ষাকালে দ্রুত পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা নিতে হবে।
ফল, জ্বালানি, আসবাব তৈরির কাঠ ও বহুবিধ কৃষি সামগ্রী পাওয়ার সাথে সাথে পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষার জন্য বসতবাড়িতে এবং ফলের বাগানে বহুস্তর বিশিষ্ট ফসল চাষ পদ্ধতি অবলম্বন করা অপরিহার্য। উদ্ভাবিত মডেল বাংলাদেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের আম, পেয়ারা, সুপারি এবং লিচু বাগান; পূর্বাঞ্চলের কাঁঠাল বাগান এবং বাংলাদেশের বনাঞ্চলের জন্য উপযোগী। এ মডেলটি উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে গ্রাম ও খামার বনায়ন কর্মসূচির মাধ্যমে সমপ্রসারিত হয়েছে। তবে বর্তমানে প্রায় সারা দেশেই এ মডেলটি সমপ্রসারণের উপযোগিতা লাভ করেছে। বর্তমানে সুইস এজেন্সি ফর ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড কো-অপারেশন (এসডিসি) এর অর্থায়নে ইন্টার কো-অপারেশন-এগ্রোফরেস্ট্রি ইমপ্রুভমেন্ট পার্টনারশিপ (এএফআইপি) এর তত্ত্বাবধানে সারা দেশে এ প্রযুক্তিটি সমপ্রসারণের কাজ চলছে। এছাড়াও বাণিজ্যিকভাবে বন্যামুক্ত জমিতে নতুন বাগান সৃজনের ক্ষেত্রে বহুস্তর বিশিষ্ট বাগানের মডেল অনুসরণ করলে তা ব্যক্তিগত পর্যায় থেকে শুরু করে সমগ্র দেশের জন্য প্রভূত কল্যাণ বয়ে আনবে। দেশের দুর্যোগপূর্ণ এলাকা বিশেষ করে উপকূলীয় এলাকায় দারিদ্র্য বিমোচন এবং মংগা এলাকায় পুষ্টি ও খাদ্য যোগানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
লেখক : উদ্যানতত্ত্ব বিভাগ,
বাকৃবি, ময়মনসিংহ
তথ্যসূত্র: ফার্মহাউস

No comments:
Post a Comment