মুরগির গামবোরো রোগ ও কার্যকর ভ্যাকসিন কর্মসূচি

মুরগির গামবোরো রোগ ও কার্যকর ভ্যাকসিন কর্মসূচি
ডা. এ এইচ এম সাইদুল হক

পোলট্রি শিল্পে মারাত্মক বিপর্যয়কারী রোগের মধ্যে যে কয়েকটি রোগ চলে আসে তার মধ্যে গামবোরো বা ইনফেকসাস বারসাল ডিজিজ অন্যতম যা প্রথম দেখা দেয় ১৯৬২ সালে আমেরিকার গামবোরো নামক জেলায়।
কারণ

এ রোগের কারণ হচ্ছে RNA ভাইরাস। সব দেশের মুরগিতে এ রোগ দেখা যায়, রোগের সুপ্তিকাল ২-৩ দিন। ব্রয়লার মুরগি বা ৪-২২ সপ্তাহ বয়সের লেয়ারে এ রোগের প্রকোপ অত্যন্ত বেশি। তবে আমাদের দেশে ১৮ দিনের অধিক মুরগিতে এ রোগের প্রাদুর্ভাব সবচেয়ে বেশি। প্রথম ২দিন মৃত্যুহার আস্তে আস্তে বাড়তে থাকে। ৪দিন পর উপসর্গ দেখা দেয়াসহ সর্বোচ্চ মৃত্যুহার হয় এবং এক সপ্তাহের মধ্যেই স্বাভাবিক হয়ে আসে। ফ্লকে মুরগি আক্রান্তের হার পরিবর্তনশীল এবং ১০০% পর্যন্ত হতে পারে। মৃত্যুহার সাধারণত ৫% হতে শুরু করে ব্রয়লারে ২৫% এবং লেয়ারে ৩৫%-৮০% পর্যন্ত হতে পারে। এ ভাইরাস অত্যন্ত জীবনীশক্তিসম্পন্ন এবং সাধারণ অবস্থায় মুরগির লিটারে ও ফার্মের পারিপার্শ্বিক এলাকায় ১২০ দিন পর্যন্ত বেঁচে থাকতে পারে। এ ভাইরাস এতই শক্তিশালী যে মুরগির দেহের বাইরে, ঘরের ভেতর, পরিচর্যাকারীর জামা কাপড়ে, খাদ্যে, খামারের সরঞ্জামে এবং আশপাশের মাটিতে চার মাস পর্যন্ত বেঁচে থাকতে পারে। বাংলাদেশে ১৯৯২ সালে প্রথম এ রোগের উপস্থিতি শনাক্ত করা হয়।

পোস্টমর্টেম বা ময়না তদন্ত রিপোর্ট

এ রোগে বারসা অব ফেব্রিকাস সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তবে এ রোগের প্রথম দিকে এটা ফুলে অনেক বড় হয় এবং শেষের দিকে সেটা ছোট হয়ে স্বাভাবিকের ১/৩ শতাংশ হতে দেখা যায় এবং ধূসর বর্ণ ধারণ করে। বারসার ভেতরে রক্তক্ষরণের চিহ্ন এবং অনেক সময় সাদা পনিরের ন্যায় পদার্থ দেখা যায়। বৃক্ক বা কিডনীতে ইউরেট জমার কারণে তা ফুলে যায়। বুক ও রানের মাংসে বিন্দু বিন্দু রক্ত জমে থাকতে দেখা যায়। অনেক সময় যকৃত স্ফীত এবং রঙিন মার্বেলের মতো দেখায়। গিজার্ডের সেরাস পর্দায় এবং প্রভেন্ট্রিকুলাসের মিউকাস পর্দায়ও রক্তক্ষরণ ঘটে।

অর্থনৈতিক গুরুত্ব

দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা নষ্ট হয়ে যায়। ফলে ব্রয়লারের ক্ষেত্রে দৈহিক বৃদ্ধি একেবারেই কমে যায় এবং খাদ্য রূপান্তর হারের অনুপাত খুব বেড়ে যায়। আই বিডি ভাইরাস বাচ্চার দেহে বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধের জন্য প্রয়োজনীয় লিম্ফোসাইট তৈরির উৎসে প্রদাহ সৃষ্টি করে। এর ফলে তাদের ইমিউন সিস্টেম ধ্বংসপ্রাপ্ত হয় ও প্রচুর বাচ্চার মৃত্যু ঘটে এবং এর সাথে সাথে অন্যান্য রোগ যেমন রানীক্ষেত, মারেক্স রোগ, কক্সিডিওসিস, কলিব্যাসিলোসিস প্রভৃতির প্রতি বেশি সংবেদনশীল হয়ে পড়ে।

রোগ নির্ণয়

১. রোগের লক্ষণ দেখে

২. পোস্টমর্টেম চিহ্ন দেখে

৩. জীবাণুর কালচার করে

৪. বিভিন্ন সেরোলজিক্যাল টেস্ট

৫. সমজাতীয় রোগ থেকে পৃথক করতে হবে যেমন- রানীক্ষেত, ইনফেকশাস ব্রঙ্কাইটিস, এভিয়ান ইনফ্লুয়েঞ্জা, ভাইরাল রেসপিরেটরী রোগ, ইনফেকশাস করাইজা ইতাদি।

৬. তুলনীয় রোগ: গামবোরো রোগের পোস্টমর্টেম এর সময় যে চাক্ষুষ পরিবর্তন দেখা যায় তার সাথে অনেক রোগের রোগ নির্ণয়ে ভুল হতে পারে। যেমন- ক) রানীক্ষেত রোগ খ) মারেকস রোগ গ) তৃষ্ণাতে মৃত্যু ঘ) হেমোরেজিক সিনড্রোম।

প্রতিরোধ

স্বাস্থ্যবিধি এবং জীব নিরাপত্তা সঠিকভাবে পালন করতে হবে। একটি কার্যকর গামবোরো রোগ প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণের জন্য তিনটি বিষয়কে জোর দিতে হবে:

ক. ব্রিডারে কার্যকর ভ্যাকসিন কর্মসূচি

খ. কার্যকর বায়োসিকিউরিটি কর্মসূচি

গ. ব্রয়লারে কার্যকর ভ্যাকসিন কর্মসূচি

সঠিকভাবে ভ্যাকসিন কর্মসূচি প্রণয়নে মেটারনাল এন্টিবডি লেভেল খুবই গুরুত্বপূর্ণ। তাই ভেটেরিনারিয়ান বা পোলট্রি বিশেষজ্ঞ এর সাথে পরামর্শ করে ভ্যাকসিন প্রয়োগের সঠিক সময় নির্ধারণ করা উচিত।

মেটারনাল এন্টিবডি

প্যারেন্ট থেকে প্রাপ্ত এন্টিবডি রক্ত হয়ে ইয়কস্যাক এর মাধ্যমে ভ্রূণে চলে আসে। ডিম থেকে বাচ্চা ফুটার পর এন্টিবডি কিছুদিন বাচ্চার দেহেও থেকে যায়। প্যারেন্ট মুরগির এন্টিবডি টাইটার বেশি হলে বাচ্চার দেহেও এন্টিবডি টাইটার বেশি হবে। বয়স বাড়ার সাথে সাথে ম্যাটারনাল এন্টিবডির পরিমাণ কমতে থাকে। MDA যখন নিচে নেমে আসে তখন টিকা প্রয়োগে ভালো ফল পাওয়া যায়।

মুরগিতে গামবোরো ভ্যাকসিন কর্মসূচি প্রণয়নে নিচের ফ্যাক্টরগুলো বিবেচনায় রাখতে হবে

১. যদি MDA এর uniformity ভালো থাকে তবে ব্রয়লারে একটি ভ্যাকসিনই যথেষ্ট, কারণ এক্ষেত্রে ফ্লকের বেশিরভাগ একদিন বয়সী বাচ্চাতে একই মাত্রার MDA বজায় থাকে।
২. যদি MDA এ uniformity ভালো না থাকে অর্থাৎ CV ৩০% এর উপরে হয় তবে একটির পরিবর্তে দুইটি ভ্যাকসিন প্রয়োজন হবে। কারণ এক্ষেত্রে MDA এর ব্যাপক তারতম্য থাকে এবং বেশিরভাগ মুরগিতে উঁচুমাত্রার MDA থাকে বিধায় ভ্যাকসিনের প্রতি সংবেদনশীল হয় না। এ অবস্থায় মুরগিতে MDA লেভেল নিচু থাকা অবস্থায় প্রথম ভ্যাকসিন দেওয়া হয় এবং ৬ দিনের মধ্যে দ্বিতীয়টির প্রয়োজন হয় উঁচুমাত্রার MDA বিদ্যমান মুরগিকে রক্ষা করতে।
৩. সঠিক ভ্যাকসিন কর্মসূচি প্রণয়ন করতে হলে MDA লেভেল জানা থাকতে হবে।
৪. CVT (Central Vaccination Time) নির্ণয় করার মাধ্যমে ব্রিডারে ভ্যাকসিন কর্মসূচি নির্ধারণ করা।

ব্রিডারের ক্ষেত্রে

ব্রিডারে প্রাথমিক ভ্যাকসিন কর্মসূচি প্রথম সপ্তাহে শুরু হয় যাতে কমপক্ষে দুটো ভ্যাকসিন দিতে হবে। এরপর ব্রিডার পুলেট একটি অতিরিক্ত ভ্যাকসিন প্রয়োজন হতে পারে। এ হতে পারে primer হিসাবে লাইভ ভ্যাকসিন (মূলত ইন্টারমিডয়েট প্লাস টাইপ) ৮ থেকে ১২ সপ্তাহের মধ্যে) দেয়ার পর একটি বিকল্প ভ্যাকসিন ডিমপাড়ার পূর্বে দিতে হবে। এরপরও যদি MDA লেভেল অপর্যাপ্ত বা এর Homogenicity বজায় না থাকে তবে ২য় একটি কিলড ভ্যাকসিন ৪৫ সপ্তাহ বয়সে প্রদান করা যেতে পারে। কিছু ব্রিডার কোম্পানিতে ইন্টারমিডিয়েট প্লাস টাইপ ভ্যাকসিনের পরিবর্তে ইন্টারমিডিয়েট ও কিলড ভ্যাকসিন একসাথে প্রদান করে কারণ ইন্টারমিডিয়েট প্লাস দেওয়ার পর জীব নিরাপত্তা মৌলিক ব্যবস্থাপনা কর্মসূচিকে জোর দিতে হবে যেমন:

১. ফার্মের প্রবেশ পথ বহিরাগতদের জন্য ৩৫ দিন বয়স পর্যন্ত বন্ধ রাখতে হবে।

২. শেডে প্রবেশের সময় ফুটপ্যাডে পা ডুবানো ও পরিশুদ্ধ হওয়া।

৩. একাধিক শেড হলে প্রতি শেডের জন্য স্বতন্ত্র জুতা ও পোশাক পরার ব্যবস্থা করা।

৪. এক শেডের লোক অন্য শেডে যাতায়াত বন্ধ করতে হবে।

৫. ফার্মে যানবাহন প্রবেশের পূর্বে প্রবেশদ্বারে ফুটবাথে জীবাণুনাশক পানিতে যানবাহনের চাকা ভিজিয়ে প্রবেশ করাতে হবে।

৬. ভিন্ন ব্যাচের বাচ্চা থাকলে প্রথমে কম বয়সের বাচ্চা এবং পরে বেশি বয়সের বাচ্চা পরিচর্যা করতে হবে।

৭. প্রতিবার বাচ্চা উঠার পূর্বে ঘর পরিষ্কার, জীবাণুমুক্ত ও ফিউমিগেশন করতে হবে। ফিউমিগেশন এর জন্য ১০০ ঘনফুট আয়তনের ঘরে পটাশিয়াম পারম্যাঙ্গানেট ৬০ গ্রাম, ফরমালিন ১২০ মিলি এ হারে মিশাতে হবে। উন্নত জীবাণুনাশক যেমন ০.২-০.৫% সোডিয়াম হাইপোক্লোরাইড বা আয়োডিন দ্রবণ ব্যবহার করা ভালো।

৮. কোন ফ্লকে গামবোরো দেখা দিলে পরবর্তী ব্যাচ করার পূর্বে কমপক্ষে ৩ সপ্তাহ (মতান্তরে ১০দিন) বিরতি দিতে হবে এবং পূর্বে ব্যবহার্য লিটার, বিষ্ঠা ও মুরগির খাদ্য সরিয়ে ফেলতে হবে। এছাড়া বাচ্চা তোলার পূর্বে ফরমালডিহাইড দ্বারা ফিউমিগেশন বা ফেনলিক যোগ ব্যবহার করতে হবে।

৯. মুরগির খাচা, খাবারের পাত্র, পানির পাত্র, মেঝে, দেয়াল ইত্যাদি ডিটারজেন্ট এবং উচ্চচাপযুক্ত পানির প্রবাহ দিয়ে ভালোভাবে পরিষ্কার করতে হবে।

ব্রয়লারের ক্ষেত্রে

যে সমস্ত এলাকায় অতিতীব্র IBD এর প্রাদুর্ভাব বেশি ঐ সমস্ত ক্ষেত্রে ভ্যাকসিন কর্মসূচিতে ইন্টারমিডিয়েট প্লাস ভ্যাকসিন ব্যবহার করতে হবে। যদি উন্নত মানের বাচ্চা, যার উচ্চ ও সুষম MDA টাইটার লেভেল বিদ্যমান ঐ সমস্ত ক্ষেত্রে ১২ থেকে ১৬ দিন বয়সে (MDA টাইটার অনুসারে) একটি মাত্র ভ্যাকসিন জবাই করার পূর্ব পর্যন্ত ভালো নিরাপত্তা দিতে সক্ষম। আবার যদি দুটি ভিন্ন ব্রিডার এর ফ্লক লেভেল এবং অপরটি বয়সী (যার নিচু মাত্রার MDA লেভেল) বাচ্চা একত্রে পালন করা হয় অথবা ঝাঁকের সুষমতার মান খারাপ হয় ঐ ক্ষেত্রে দুটো ভ্যাকসিন দেয়াই উত্তম। এক্ষেত্রে দুটো ভ্যাকসিন এর প্রথমটি ৭ হতে ১০ দিন বয়সে (ইন্টারমিডিয়েট ভ্যাকসিন- ফ্লকের হেটারোজেনিসিটি ঠিক করার জন্য) এবং দ্বিতীয়টি ১২ হতে ১৬ দিন বয়সে (ইন্টারমিডিয়েট প্লাস ভ্যাকসিন) দিতে হবে।

ব্রয়লারের ক্ষেত্রে একটি লাইভ ভ্যাকসিন ৫-৭ দিন পর্যন্ত গামবোরো রোগকে ভালোভাবে প্রতিরোধ করতে পারে কারণ এর মধ্যে ভ্যাকসিনটি ম্যাটারনাল এন্টিবডি ব্যারিয়ারকে অতিক্রম করে বারসাতে প্রবেশ করে। তাই ভ্যাকসিন শিডিউল এমনভাবে করা উচিত যাতে সম্ভাব্য গামবোরো রোগ আক্রমণের ৫-৭ দিন পূর্বেই ভ্যাকসিন দেয়া সম্ভবপর হয়।

বাণিজ্যিকভাবে লেয়ার পুলেটের ক্ষেত্রে ব্রয়লারের তুলনায় লেয়ার পুুলেটদের জীবনকাল যেহেতু দীর্ঘ সেহেতু জীবনের প্রথম কয়েক সপ্তাহের মধ্যে তাদেরকে সাধারণত টিকা প্রদানের জন্য তেমন জোর দেয়া হয় না। লেয়ার পুলেটদের ৮ থেকে ১০ সপ্তাহ বয়সের মধ্যে নিচের দুটো option এর যে কোনটি গ্রহণ করা যেতে পারে।


প্রথম option

ক. উন্নত মানের বাচ্চার ক্ষেত্রে (উচ্চ ও সুষম ৯ MDA) : ইন্টারমিডিয়েট প্লাস ভ্যাকসিন ২০-২৬ দিন প্রথমটি এবং ৮ম হতে ১০ ম সপ্তাহান্তে আরেকটি।

খ. নিম্নমানের বাচ্চার ক্ষেত্রে (নিচু ও অসম MDA): ইন্টারমিডিয়েট ভ্যাকসিন ৫ম-১০ম দিনে প্রথমটি, ইন্টারমিডিয়েট পাস ভ্যাকসিন ১৬-২২তম দিন দ্বিতীয়টি এবং ৮ম হতে ১০ম সপ্তাহান্তে তৃতীয়টি।

যেহেতু গামবোরো ভাইরাসের primary tropism হলো GUT এর লিম্ফয়েড অঙ্গসমূহ তাই ভ্যাকসিনসমূহ পানির মাধ্যমে দেয়াটাই সর্বোত্তম। Per-oral এবং চোখের মাধ্যমেও কার্যকর কিন্তু এটি কম প্রচলিত ও খুবই ব্যয়বহুল (১০ দিনের নিচের বাচ্চাদের দেয়া যেতে পারে)। এছাড়া পানির ক্লোরিনের ক্ষতিকর প্রভাবকে দূর করে এবং ভ্যাকসিন ভাইরাসের কার্যকারিতা অক্ষুণ্ন রাখে এ রকম স্ট্যাবিলাইজিং এজেন্ট দেয়া উচিত।

চিকিৎসা

সব ভাইরাসের মতো এ ভাইরাসেরও তেমন কার্যকরী চিকিৎসা নেই। এ রোগের সাথে ২য় পর্যায়ের ব্যাকটেরিয়া হিসেবে সালমোনেলা ও ই-কলাইয়ের সংক্রমণ এবং রক্ত আমাশয় এর সংক্রমণ হতে পারে। তাই ব্যাকটেরিয়াল রোগ থেকে রক্ষার জন্য অক্সিটেট্রাসাইক্লিন এবং কুইনোলন গ্রুপ (সিপ্রোফ্লকসাসিন, এনরোফ্লকসাসিন, নরফ্লকসাসিন) এর মধ্যে যে কোন একটি প্রতিষ্ঠিত কোম্পানির এন্টিবায়োটিক ব্যবহার করা যায় এবং রক্ত আমাশয় থাকলে এমপ্রোলিয়াম বা টলট্রাজুরিল যুক্ত এন্টিকক্সিডিয়াল ওষুধ ব্যবহার করা যেতে পারে। পানি শূন্যতা রোধ করার জন্য ইলেকট্রোলাইটযুক্ত স্যালাইন এবং এসিডিফায়ার দেয়া যেতে পারে। ভালো ভেন্টিলেশন, উষ্ণ তাপমাত্রা এবং পর্যাপ্ত সুপেয় পানি এ সময় নিশ্চিত করা বিশেষ প্রয়োজন। এ সময় খাদ্য তালিকায় প্রোটিনের মাত্রা ৪-৫ দিনের জন্য কম রাখলে মুরগি দ্রুত সেরে উঠে।
তথ্যসূত্র: ফার্মহাউস

No comments: